ছবি: সংগৃহীত
সেঞ্চুরিটা হলো না তানজিদ হাসানের। ৭১ বলে ৮৩ রান করে সাজঘরে ফিরলেন তিনি। ইসমত আলমের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন তানজিদ। দারণ ক্যাচ নিয়েছেন আফগান উইকেটকিপার ইকরাম। এখন উইকেটে এসেছেন মুমিনুল হক।
এর আগে শুক্রবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটিতে শতরান তুলেছ টাইগাররা। ১২৯ রানে ভাঙে টাইগারদের ওপেনিং জুটি। এ প্রতিবেদনে লেখা পর্যন্ত ২৫ ওভার চার বলে এক উইকেটে ১৩৩ রান করেছে বাংলাদেশ।
আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টায় ম্যাচটি শুরু হয়। টেস্ট ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে ভালো সময় পার করছে বাংলাদেশ। গত আগস্টেই বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে এসেছে অবিস্মরণীয় সাফল্য। অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দুনিয়া মাত করে দিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। এবার টাইগারদের সামনে আফগানিস্তান চ্যালেঞ্জ। টেস্টে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান লড়াইয়ের হিসাব সমান। দুই দলের দুইবারের মুখোমুখিতে জয় একটি করে। এবার সেই সমতা ভাঙার পালা।
বাংলাদেশের সামনে শুধু সিরিজ জয়ের সুযোগ নয়, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর জন্যও অপেক্ষা করছে ব্যক্তিগত এক মাইলফলক। এই ম্যাচ জিতলে টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে তার জয় হবে ১০টি।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই সাফল্যকে আত্মবিশ্বাস হিসেবে নিতে চান শান্ত, কিন্তু অতীতের ফল নিয়ে পড়ে থাকতে রাজি নন তিনি। তার কাছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি সম্পূর্ণ নতুন চ্যালেঞ্জ।
ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আমাদের ভালো একটি সিরিজ গেছে। কিন্তু সেটি এখন অতীত। এটি নতুন কন্ডিশন, নতুন প্রতিপক্ষ। তাই আমাদেরও সেভাবেই পরিকল্পনা করতে হবে।’
বাংলাদেশ একাদশ:
সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম ও ইবাদত হোসেন।
আফগানিস্তান একাদশ:
আবদুল মালিক, সেদিকউল্লাহ আতাল, রহমত শাহ (অধিনায়ক), হাশমতউল্লাহ শহীদি, ইকরাম আলিখিল (উইকেটকিপার), জিয়া-উর-রহমান , শহিদুল্লাহ কামাল, ইয়ামিন আহমদজাই, কাইস আহমেদ, মোহাম্মদ সেলিম সাফি ও ইসমত আলম।